কলেজ সরকারি বেতন-ফি বেসরকারি!

Muahammad Afser    ১১:৩৫ এএম, ২০১৯-০৫-২৯    68


কলেজ সরকারি বেতন-ফি বেসরকারি!

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন মাত্র ২০ টাকা। চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের মতোই চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি সিটি কলেজসহ সবকয়টি সরকারি কলেজেই মাসিক বেতনের এই হার একই (২০ টাকা)।
কিন্তু চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের একই শ্রেণিতে মাসিক বেতন ৮০০ টাকা। কেবল এই একটিই নয়, মহানগরসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে মোট ৩১টি কলেজ রয়েছে; যেগুলোতে বেতন-ফি’র হার চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের মতোই। প্রতিষ্ঠান সরকারি হলেও এসব কলেজের বেতন-ফি এখনো বেসরকারি। অর্থাৎ সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেব করে ভর্তি

হলেও এসব কলেজের শিক্ষার্থীদের বেতন-ফি দিতে হয় বেসরকারি হিসেবেই। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদেরও বেসরকারির আদলেই বেতন-ফি দিতে হবে এসব কলেজে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারিকরণ করা হলেও এখনো পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণ করা হয়নি। যার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন-ফি আদায় হচ্ছে আগের মতোই।
মন্ত্রণালয় ও শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সারাদেশের ২৭১টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৮টি কলেজ সরকারি হয়। এসব কলেজের মধ্যে রয়েছে- চুনতি মহিলা (ডিগ্রি) কলেজ, সীতাকুন্ড মহিলা কলেজ, আনোয়ারা কলেজ, হাটহাজারী কলেজ, আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ (মহানগর), রাউজান কলেজ, ফটিকছড়ি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, আলাওল ডিগ্রি কলেজ (বাঁশখালী), নিজামপুর কলেজ, রাঙ্গুনিয়া কলেজ, কুতুবদিয়া কলেজ, চকরিয়া ডিগ্রি কলেজ, টেকনাফ ডিগ্রি কলেজ, রামু ডিগ্রি কলেজ, বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ (মহেশখালী), কাচালং ডিগ্রি কলেজ (বাঘাইছড়ি), নানিয়ারচর কলেজ, কর্ণফুলী (ডিগ্রি) কলেজ (কাপ্তাই), কাউখালী ডিগ্রি কলেজ, দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজ, পানছড়ি ডিগ্রি কলেজ, মহালছড়ি কলেজ, মাটিরাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ, মানিকছড়ি গিরি মৈত্রী ডিগ্রি কলেজ, গুইমারা কলেজ, মাতামুহুরী কলেজ (লামা), হাজী এম এ কালাম কলেজ (নাইক্ষ্যংছড়ি) এবং রুমা সাঙ্গু কলেজ। পরবর্তীতে একই বছরের (২০১৮ সালের) ১২ সেপ্টেম্বর অপর এক প্রজ্ঞাপনে রাজস্থলী কলেজ এবং ৭ অক্টোবরের আরেক প্রজ্ঞাপনে উখিয়ার বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজকে সরকারিকরণ করা হয়। তিন দফায় বৃহত্তর চট্টগ্রামের মোট ৩০টি বেসরকারি কলেজ সরকারি হয়। এর আগে ২০১৭ সালের শেষ দিকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মডেল স্কুল এন্ড কলেজসহ দেশের মোট ১২টি বিশেষায়িত মডেল স্কুল এন্ড কলেজকে সরকারিকরণ করে সরকার।
গেজেট প্রকাশের পরপরই বেসরকারি নাম মুছে প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে ‘সরকারি’ যুক্ত করেছে এসব কলেজ। কিন্তু প্রতিষ্ঠান সরকারি হলেও সরকারি কোন ধরণের সুযোগ-সুবিধা এখনো পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। তাদের বেতন-ফি দিতে হচ্ছে আগের মতো বেসরকারির আদলেই। বিষয়টি স্বীকার করে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর জাহেদুল হক বলছেন, প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি এখনো সরকারি হয়নি। শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এই আত্তীকরণ প্রক্রিয়া শেষ হলেই এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা পাবে। অনেক প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরও সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় কলেজগুলোর নামের সাথে দাফতরিক ভাবে আমরা ‘সরকারি’ শব্দ যোগ করিনি। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ‘সরকারি’ শব্দটি জুড়ে দিয়েছে স্বীকার করে সেটি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেন কলেজ পরিদর্শক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরকারি কলেজের ২০ টাকার স্থলে জাতীয়করণকৃত নগরীর সরকারি আশেকানে আউলিয়া কলেজের তিন শাখাতেই (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) মাসিক বেতন ২৫০ টাকা। নগরীর বাইরে হাটহাজারী কলেজে মাসিক বেতন বিজ্ঞানে ৩৩৫ এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৩২৫ টাকা। একইভাবে রাউজান কলেজে শিক্ষার্থী প্রতি মাসিক বেতন বিজ্ঞানে ২৫০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২০০ টাকা। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজে বিজ্ঞানে মাসিক বেতন ১৬০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ১৫০ টাকা করে। মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী সরকারি ডিগ্রি কলেজে সব শাখাতেই মাসিক বেতন ২৫০ টাকা। কিছুটা হেরফের হলেও বাকি কলেজগুলোর চিত্রও প্রায় অভিন্ন।
জাতীয়করণকৃত কলেজগুলোর ভর্তি ফি সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উপজেলা পর্যায়ের কলেজ হয়েও শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৩ হাজার টাকা বা এর বেশি ফি ধার্য করেছে অনেক কলেজ। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী- একাদশে ভর্তিতে সেশনচার্জসহ ভর্তি ফি বাবদ সর্বসাকুল্যে মফস্বল বা পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকার বেশি আদায়ের সুযোগ নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা পর্যায়ের কলেজ হলেও একাদশে ভর্তিতে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪ হাজার ২৫৫ টাকা ফি ধার্য করেছে হাটহাজারী কলেজ। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য এই ফি ৩ হাজার ৮৪৫ টাকা। একই ভাবে রাউজান কলেজে বিজ্ঞানে ৩ হাজার ২৫০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ২ হাজার ৯০০ টাকা ফি ধার্য করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থী ভর্তিতে বিজ্ঞানে ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ১ হাজার ৯০০ টাকা করে ফি ধার্য করেছে রাঙ্গুনিয়া কলেজ।
প্রায় একই রকম ফি ধার্য করেছে পার্বত্য অঞ্চলের কলেজগুলোও। বিজ্ঞানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৩ হাজার ১৫ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় ভর্তিতে ২ হাজার ৬১৫ টাকা ফি ধার্য করেছে মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী ডিগ্রী কলেজ। অথচ কলেজ ভর্তিতে এলাকাভিত্তিক ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালায়। নীতিমালা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগরের কলেজগুলো ভর্তির ক্ষেত্রে সেশন চার্জসহ তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। আর এই তিন হাজার টাকার বাইরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোন টাকাও নেয়া যাবে না। এমনকি উন্নয়ন ফি’র নামেও কোন টাকা আদায় করা যাবে না।
নীতিমালার ৫.০ অনুচ্ছেদের উপ-অনুচ্ছেদ ৫.৫.১ অনুযায়ী- কলেজ ভর্তিতে সেশনচার্জসহ ভর্তি ফি বাবদ মফস্বল বা পৌর (উপজেলা) এলাকায় সর্বসাকুল্যে ১ হাজার টাকা, পৌর /জেলা সদর এলাকায় ২ হাজার টাকা ও ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মেট্ট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি নেয়া যাবে না। এ বিষয়ে জানতে একাধিক কলেজ অধ্যক্ষের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা ফোন ধরেন নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষার্থী ভর্তি ও ফি আদায়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসরণের জন্য কলেজগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর জাহেদুল হক। তিনি বলেন, ভর্তি নীতিমালা মেনে চলার জন্য শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে নোটিশও করা হয়েছে। এরপরও কোন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে কিংবা নীতিমালা না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অবশ্য, সবদিক বিবেচনায় আবেদনের ক্ষেত্রে কলেজের পড়ালেখার মান-পরিবেশ, বাসা থেকে দূরত্ব এবং মাসিক বেতনসহ যাবতীয় খরচের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করেই কলেজের পছন্দক্রম ঠিক করার পরামর্শ দিয়েছেন কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর জাহেদুল হক। দোকানের কম্পিউটার অপাটেরদের ইচ্ছে অনুযায়ী কলেজের পছন্দক্রম না দিতেও শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, সাবমিট করা আবেদনে (ইতোমধ্যে আবেদন করলেও) পছন্দক্রম ও কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে এবার। তবে অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রেই এ সুবিধা তুলনামূলক বেশি। যা এসএমএস-এর মাধ্যমে করা আবেদনে পাওয়া যাবে না। অনলাইনে (ওয়েবসাইটে) আবেদনকারীরা ৫ জুন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ বার পছন্দক্রম ও কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ পাবে। কিন্তু পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পেলেও কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ পাবে না এসএমএস-এর মাধ্যমে আবেদনকারীরা। ইতোমধ্যে আবেদন করলেও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আবেদনে পছন্দক্রম ও কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহেদা ইসলাম।

সূত্র: দৈনিক আজাদী


রিটেলেড নিউজ

 বীরাঙ্গনা

বীরাঙ্গনা

Times of Bangladesh

                বীরাঙ্গনা আমি নেশায় আচ্ছন্ন হয়নি,দেখেছি ভয়াল রাত। শুকুরের দল ... বিস্তারিত

বাবা দিবস: বিশ্বজুড়ে কীভাবে উদযাপন করা শুরু হলো?

বাবা দিবস: বিশ্বজুড়ে কীভাবে উদযাপন করা শুরু হলো?

Ainun Nahar

বিশ্বের অনেক দেশে আজ পালন করা হচ্ছে বাবা দিবস। জুন মাসের তৃতীয় রবিবার এই দিনটি পালন করা হয়। এ দ... বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারায় তৈয়বা বেগমের শিল্পকর্ম

যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারায় তৈয়বা বেগমের শিল্পকর্ম

Ainun Nahar

নিউইয়র্কের ম্যানহাটানের আর্ট গ্যালারি সুন্দারাম ট্যাগর চেলসিতে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের শিল্পী তৈ... বিস্তারিত

সাম্যবাদ ও মানবতার কবি নজরুল ইসলাম

সাম্যবাদ ও মানবতার কবি নজরুল ইসলাম

Ainun Nahar

“আমি কবি, আমি অপ্রকাশ সত্যকে প্রকাশ করার জন্য অমূর্ত সৃষ্টিকে মূর্তিদানের জন্য ভগবান কর্তৃক প্র... বিস্তারিত

 ২১ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে পার্থে হারল ভারত

২১ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে পার্থে হারল ভারত

Md. Motiur Rahman

পার্থ টেস্টে জয়ের জন্য ২৮৭ রানের লক্ষ্য ছিল ভারতের সামনে। কাল চতুর্থ দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১... বিস্তারিত

 রোনালদোর গোলে নতুন রেকর্ড

রোনালদোর গোলে নতুন রেকর্ড

Times of Bangladesh

১২ গজ দূর থেকে শট নেওয়ার ব্যাপারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ধারেকাছে আপাতত কেউ নেই। পেনাল্টি বক্সের ... বিস্তারিত

সর্বশেষ

এলার্জি আছে? টানা ২১ দিন এই খাবারটি খান, এলার্জি হবে চিরবিদায় |

এলার্জি আছে? টানা ২১ দিন এই খাবারটি খান, এলার্জি হবে চিরবিদায় |

Razibul Islam

কোন বিশেষ ধরনের খাবার অনেকেরই কম বেশি এলার্জি থাকে। এ এক এমনই বিচ্ছিরি সমস্যা যার জন্য আপনি নিজের ... বিস্তারিত

সেই চেনা রূপে এই বর্ষা

সেই চেনা রূপে এই বর্ষা

Rokeya Begum

ভরা আষাঢ়েও বৃষ্টি নেই। এ নিয়ে হা-হুতাশের শেষ ছিল না নগরবাসীর। তবে কি ষড়ঋতুর বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে ... বিস্তারিত

জ্বর হলে অবহেলা না করে ডেঙ্গু পরীক্ষার আহ্বান

জ্বর হলে অবহেলা না করে ডেঙ্গু পরীক্ষার আহ্বান

Rokeya Begum

 বৃষ্টি ও আবহাওয়ার তাপমাত্রার সঙ্গে ডেঙ্গুর একটা সম্পর্ক রয়েছে মন্তব্য করে জ্বর হলেই অবহেলা না ... বিস্তারিত

চুল পড়া প্রতিরোধে রসুন

চুল পড়া প্রতিরোধে রসুন

Rokeya Begum

চুল পড়া রোধে পেঁয়াজের রস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেই সঙ্গে রসুনও অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ... বিস্তারিত