চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নের ফলে বাড়ছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ

Times of Bangladesh    ১১:৪২ এএম, ২০১৯-০৬-১৭    33


চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নের ফলে বাড়ছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ

ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বন্দর নির্মাণ, গ্যাস সংকট নিরসনে এলএনজি আমদানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ সরকারের নানামুখী শিল্প বান্ধব উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রামে শিল্পায়নের নিরব বিপ্লব শুরু হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগও বেড়েছে। সংকট কেটে যাচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগের। আগামী দুয়েক বছরের মধ্যে চট্টগ্রামে বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে। পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়ায় চট্টগ্রামে বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা বহুলাংশে কেটে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতা স্বত্ত্বেও চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে। গত ১৬

মাসে (জানুয়ারি-২০১৮ থেকে এপ্রিল-২০১৯) চট্টগ্রামে দেশীয় বিভিন্ন শিল্পখাতের ২১৬ প্রতিষ্ঠান ৭ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এতে ১৮ হাজার ৩০৪ জন লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। দেশি বিনিয়োগের এই চিত্রকে প্রত্যাশার সফল উত্তরণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগের ১৬ মাসে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। তার আগের বছর এর পরিমাণ ছিলো আরো কম। বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির পর চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। বেড়েছে গ্যাস প্রবাহ। শিল্প খাতে এর প্রভাব পড়তে শুরু করায় দেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও অচিরেই তা কেটে যাবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, চট্টগ্রামে বিদেশি বিনিয়োগের প্রধান প্রতিবন্ধকতা ছিল জমির অভাব। চট্টগ্রাম ইপিজেড এবং কর্ণফুলী ইপিজেডে কোন প্লট না থাকায় বহু বিদেশি বিনিয়োগ ফিরে গেছে। বাইরের জায়গার উপর আস্থা না থাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অনেকেই সামনে অগ্রসর হননি। জমির অভাবের পাশাপাশি গ্যাস সংকট ছিল প্রকট। বিদ্যুতেরও অভাব ছিল। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এসব খোঁজ খবর নিয়ে নিরুৎসাহিত হতেন। এখন অবস্থা পাল্টেছে। দেশি বিদেশি বিনিয়োগের জন্য জমির অভাব ঘুচাতে দেশব্যাপী ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আর দেশে নীরব শিল্প বিপ্লব ঘটাতে যাচ্ছে এসব ইকোনমিক জোন। দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাই ইকোনমিক জোন। তিন দশক আগে গড়ে ওঠা উপকুলীয় একটি চরকে ঘিরে পাঁচ বছর আগে শুরু হয়েছিল মীরসরাই ইকোনমিক জোনের যাত্রা। ওই সময় চরের ২০ হাজার একর ভূমি নিয়ে প্রকল্পটি শুরু করা হয়েছিল। আর পাঁচ বছরের ব্যবধানে সেই চরের আয়তন এখন ৩০ হাজার একর ছাড়িয়ে গেছে। মীরসরাই উপজেলার সীমানা ছাড়িয়ে এই প্রকল্প এখন সীতাকুণ্ড অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ফেনীর সোনাগাজী অর্থনৈতিক অঞ্চলের সাথে সমন্বয় করে বিস্তৃত হয়েছে। আর মীরসরাই সীতাকুণ্ড এবং ফেনী অঞ্চলের অবহেলিত চরাঞ্চলে এখন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ প্রতিষ্ঠার মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্প শুধু চট্টগ্রাম নয় বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ ও সর্বাধুনিক শিল্প শহরের রূপ লাভ করতে যাচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা)’র অফিস সুত্রে জানা যায়, এই মহাপ্রকল্প থেকে মীরসরাই ও ফেনী অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৪০০ একর জমি বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এই দশটি প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ ও সমানভাবে এগিয়ে চলছে ।
বেজা চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী আজাদী প্রতিবেদককে বলেন, মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে আগামী জুলাই মাসে চীনের জিনইয়ান কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড উৎপাদন শুরু করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটিই হবে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রথম কোন কারখানা। ১০ একর জমির উপর গড়ে তোলা এই শিল্পে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় এক কোটি মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কানাডায় গোল্ড মাইনিং কেমিক্যাল রপ্তানির জন্য এতে উৎপাদিত হবে ‘লেড নাইট্রেট’। আগামী তিন বছর লেড নাইট্রেট রপ্তানির জন্য কানাডার সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। এই কারখানা ২শ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
তিনি বলেন, এ শিল্পনগরে প্রায় ১ হাজার ১৫০ একর জমির ওপর অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে (বেপজা) জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিজিএমইএকে একটি পরিকল্পিত গার্মেন্টস পার্ক নির্মাণের জন্য ৫০০ একর জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জাপানের নিপ্পন স্টিল ও সুজিত করপোরেশন, ভারতের এশিয়ান পেইন্টস, যুক্তরাজ্যের বার্জার পেইন্টস, চীনের জিনদুন গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। দেশী-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার সমমূল্যের বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ১০টি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এ অঞ্চলে ১১টি শিল্প-কারখানা স্থাপনের অনুমোদন নিয়েছে। এতে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১৯৮ কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ডলার। অনুমোদিত বিনিয়োগকারী ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি, সামিট অ্যালায়েন্স লজিস্টিক পার্ল লিমিটেড (এসএএলপিএল), মাহিন ডিজাইন এটিকেট (বিডি) লিমিটেড, আরেফিন এন্টারপ্রাইজ, সানজি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ইওনমেটাল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস (বিডি) লিমিটেড।
এর মধ্যে বার্জার পেইন্টস (বিডি) লিমিটেডের জন্য ৩০ একর, এসএএলপিএলের জন্য ১০০ একর ও বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেডের জন্য ১০০ একর জমি বরাদ্দের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মীরসরাই ইকোনমিক জোনে অন্তত ত্রিশ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
সরকারের রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়ন করতে হলে প্রতি বছর শুধু বিদেশি বিনিয়োগই প্রয়োজন ১ হাজার কোটি ডলার। এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শর্ত পূরণ করতে হবে এজন্য প্রয়োজন প্রচুর বিদেশি বিনিয়োগ। আর চট্টগ্রামের দেশী বিদেশি বিনিয়োগ সরকারের এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পবন চৌধুরী বলেন, মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হলে শুধু চট্টগ্রামই নয়, দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে এটা বড় ধরনের ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে শিল্প প্রতিষ্ঠার যে প্রক্রিয়া চলছে তা দেশকে উন্নত বিশ্বের কাতারে সামিল করবে।
মীরসরাইয় থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এই প্রকল্পটি আমার স্বপ্ন। যখনি আমি কোন প্রয়োজনে এই চরের পাশ দিয়ে যেতাম তখনই স্বপ্ন বুনতাম এই পতিত হাজার হাজার একর জমিকে কোন একটি কাজে লাগানো যায় কিনা। আমি হিসেব কষে দেখলাম যে, দেশের কোথাও একসাথে এতো সমতল পতিত জমি নেই। শুধুমাত্র সড়ক ও অন্যান্য যোগাযোগ হলেই এই স্থানটি অনেক সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক শহরে রুপান্তর সম্ভব। আর সেই স্বপ্নের প্রকল্পটির ব্যাপারে আমি ব্যক্তিগত খরচে একটি প্রকল্প তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীকে দেখাই। তিনি এর গুরুত্ব অনুধাবন করেন। বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে পজেটিভ সার্ভে রিপোর্ট পেয়ে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উদ্যোগী হন। আর এভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের সবচেয়ে বড় এই ইকোনমিক জোনের কার্যক্রম শুরু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।’
তিনি বলেন, এখন আমার স্বপ্ন হচ্ছে আমার প্রাণের মীরসরাইর একজন লোকও বেকার থাকবে না। তবে যোগ্য কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে এই মীরসরাইকে আমি বিশ্বের আধুনিক শহরেই রুপান্তরিত করতে চাই। মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, এই অর্থনৈতিক অঞ্চল শুধু মীরসরাইরই নয়, পুরো দেশের জন্য একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মীরসরাই হয়ে উঠবে পুরো চট্টগ্রামের একটি বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র। এখানকার মানুষের জীবন মান সহ সবকিছুতে আধুনিক উন্নত বিশ্বের স্বাদও পাওয়া যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
চট্টগ্রামের বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে বিজিএমই-এর প্রথম সহ-সভাপতি এম এ সালাম বলেন, আগামী দু’চার বছরের মধ্যে চট্টগ্রামের বিনিয়োগ পরিস্থিতি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে। চট্টগ্রামে ব্যাপক বিনিয়োগ করার জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। মীরসরাই ইকোনমিক জোন, সীতাকুণ্ড ইকোনমিক জোন কিংবা আনোয়ারা ইকোনমিক জোনের মতো শিল্পবান্ধব প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতির আমুল পরিবর্তন হয়ে যাবে।
ইকোনমিক জোনের পাশাপাশি চট্টগ্রামে কয়েকটি পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের কাজও চলছে। দেশীয় ফ্লাইট অপারেটররা এখন পূর্বমুখী যোগাযোগ বাড়িয়েছে। থাই এয়ার বা এমিরেটসের মতো একটি ফ্লাইট অপারেটর চট্টগ্রামে ফ্লাইট চালানো শুরু করলে চট্টগ্রামের বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে বলেও এম এ সালাম মন্তব্য করেন।

 

সূত্র দৈনিক আজাদী

 

 


রিটেলেড নিউজ

কালো স্বর্ণ বৈধ করতে ব্যবসায়ীদের ভিড়

কালো স্বর্ণ বৈধ করতে ব্যবসায়ীদের ভিড়

Rokeya Begum

দেশে প্রথমবারের মতো চলছে স্বর্ণ মেলা। ভরিতে মাত্র এক হাজার টাকা কর পরিশোধ করে অপ্রদর্শিত স্বর্ণ ব... বিস্তারিত

৫ গুন্ ব্যয় বাড়ছে ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ডে

৫ গুন্ ব্যয় বাড়ছে ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ডে

Ainun Nahar

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে কার্ডের জন্য আমদানি করা পণ্যের ওপর নতুন করে পাঁচ থেকে ছয় গুণ শুল্ক আরোপের... বিস্তারিত

রঙের বাজারে ভালো ব্যবসা করছে বার্জার পেইন্টস

রঙের বাজারে ভালো ব্যবসা করছে বার্জার পেইন্টস

Rokeya Begum

দেশের রঙের বাজারে গত বছর ভালো ব্যবসা করেছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড। এ সময় কোম্পানিটির ব... বিস্তারিত

মোবাইল সিম রিমে শুল্ক বৃদ্ধি: গ্রাহকের খরচ কেমন বাড়লো?

মোবাইল সিম রিমে শুল্ক বৃদ্ধি: গ্রাহকের খরচ কেমন বাড়লো?

Ainun Nahar

কুষ্টিয়ায় থাকেন শিরিন সুলতানা। দুরে থাকা স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলার জন্য তার ভরসা ... বিস্তারিত

অনলাইনে কেনাকাটায়ও ভ্যাটের খড়্গ

অনলাইনে কেনাকাটায়ও ভ্যাটের খড়্গ

Ainun Nahar

প্রস্তাবিত বাজেটে ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমের বিজ্ঞাপনকে ভ্যাটের আওতায় আনতে ‘সোশ... বিস্তারিত

আদায়ও কম, খরচও কম

আদায়ও কম, খরচও কম

Ainun Nahar

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের শুরু থেকেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন করতে পারছ... বিস্তারিত

সর্বশেষ

সেই চেনা রূপে এই বর্ষা

সেই চেনা রূপে এই বর্ষা

Rokeya Begum

ভরা আষাঢ়েও বৃষ্টি নেই। এ নিয়ে হা-হুতাশের শেষ ছিল না নগরবাসীর। তবে কি ষড়ঋতুর বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে ... বিস্তারিত

জ্বর হলে অবহেলা না করে ডেঙ্গু পরীক্ষার আহ্বান

জ্বর হলে অবহেলা না করে ডেঙ্গু পরীক্ষার আহ্বান

Rokeya Begum

 বৃষ্টি ও আবহাওয়ার তাপমাত্রার সঙ্গে ডেঙ্গুর একটা সম্পর্ক রয়েছে মন্তব্য করে জ্বর হলেই অবহেলা না ... বিস্তারিত

চুল পড়া প্রতিরোধে রসুন

চুল পড়া প্রতিরোধে রসুন

Rokeya Begum

চুল পড়া রোধে পেঁয়াজের রস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেই সঙ্গে রসুনও অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ... বিস্তারিত

মেদ কমান সহজ ৫ ঘরোয়া উপায়ে |

মেদ কমান সহজ ৫ ঘরোয়া উপায়ে |

Rokeya Begum

সুন্দর মেদহীন শরীর কে না চায়? তবে এখনকার ফাস্ট ফুডের যুগে মেদহীন শরীর পাওয়া বেশিরভাগ মানুষের কাছে ... বিস্তারিত